অনলাইন ডেস্কঃ সৌদি আরবে এবার একজন রাজকুমারীকে আটক করা হয়েছে। আটক রাজকুমারীর নাম রিম আল-ওয়ালিদ বিন তালাল। তার বাবা সম্প্রতি আটক হওয়া ধনকুবের প্রিন্স আল-ওয়ালিদ বিন তালাল। সৌদি যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমান দেশটিতে কথিত দুর্নীতি-বিরোধী যে অভিযান চালাচ্ছেন তারই অংশ হিসেবে রিমকে আটক করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সৌদি সূত্র আরাবি২১ অনলাইনকে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সৌদি সরকার রাজকুমারী রিমকে আটক করে। সৌদি রাজপরিবারে এই প্রথম কোনো নারী সদস্যকে আটক করা হলো।
গত শনিবার সৌদি আরবে হঠাৎ করেই কথিত দুর্নীতিবিরোধী কমিটি গঠন করা হয় যার প্রধান যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমান। ওইদিনই দেশটির ১১ জন প্রিন্স এবং বর্তমান ও সাবেক মন্ত্রীসহ মোট ৩০ জনকে আটক করা হয়।
দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের নামে এসব ব্যক্তিকে আটক করা হলেও বিশ্বের বহু বিশ্লেষক মনে করছেন, যুবরাজ মুহাম্মাদ নিজের ক্ষমতা নিরংকুশ করার জন্য এসব ধরপাকড় অভিযান চালাচ্ছে। নিজের ছেলেকে ক্ষমতায় বসাতে জন্য এবং তার ভাবমর্যাদা উজ্জ্বল করার জন্য রাজা সালমান বিন আবদুল আজিজ দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের নামে এসব করাচ্ছেন।
সৌদির কঠোর অবস্থান, দুর্নীতি তদন্তে দুই শতাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ!সৌদি আরবে দুর্নীতি তদন্তে দুই শতাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েক ডজন প্রিন্স, একাধিক মন্ত্রী, সাবেক মন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা রয়েছেন।
জানা যাচ্ছে, দেশের বাইরেও তদন্তের কাজ শুরু করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, অবৈধভাবে অন্তত ১০০ বিলিয়ন ডলার আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে সন্দেহ করছেন তারা।
সৌদি বাদশাহ সালমান সম্প্রতি এক ডিক্রির মাধ্যমে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে নতুন দুর্নীতি দমন কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন। এরপর ১১ জন প্রিন্স, চারজন মন্ত্রী এবং ডজনখানেক সাবেক মন্ত্রীকে আটক করার খবর আসে।
সৌদি আরবের অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ সৌদ আল-মোজেব বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘গত তিন বছর ধরে তদন্তের ভিত্তিতে আমরা ধারণা করছি, কয়েক দশকে ঘুষ, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে অন্তত ১০০ বিলিয়ন ডলার অপব্যবহার হয়েছে।’
এ পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদে ডাকা ২০৮ জনের মধ্যে সাতজনকে কোনো অভিযোগ ছাড়াই মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে তাদের নাম প্রকাশ করেননি।
এই তদন্তে কয়েক ডজন প্রিন্স, একাধিক মন্ত্রী ও ধনকুবেরকে আটকের কথা গত সপ্তাহে ঘোষণা করে সৌদি কর্তৃপক্ষ, যাকে যুবরাজ মোহাম্মদের প্রভাব আরও সুসংহত করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষের এই তদন্তে কার্যক্রম প্রতিবেশী দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতেও বিস্তৃত হয়েছে। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৯ সৌদির ব্যাংক হিসাবের বিস্তারিত তথ্য জানাতে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে।
বিলিয়নেয়ার প্রিন্স আল-ওয়ালিদ বিন তালাল ও ন্যাশনাল গার্ডের সাবেক প্রধান প্রিন্স মেতিব বিন আবদুল্লাহসহ এই ১৯ জনের প্রায় সবাইকে আটক করা হয় বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
সৌদি আরবের প্রয়াত বাদশাহ আবদুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজের ছেলে মেতিবকে এক সময় সিংহাসনের অন্যতম দাবিদার বলে মনে করা হত। রাজপরিবারে আবদুল্লাহর বংশধরদের মধ্যে কেবল তিনিই সৌদি সরকারের সর্বোচ্চ স্তরে ছিলেন।
যুবরাজ্যের নেতৃত্বে গঠিত দুর্নীতি দমন কমিটিকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার পাশাপাশি ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারিরও ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে।
জেদ্দায় ২০০৯ সালের বন্যা এবং ২০১২ সালে সৌদি আরবে মের্স ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ে দেশটিতে নতুন করে তদন্ত শুরুর তথ্য দিয়েছে সৌদি টেলিভিশন আল আরাবিয়া।
চলতি বছর জুনে সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হওয়ার পর থেকেই বিশ্বে সৌদি আরবের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে নানা ধরনের সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিচ্ছেন যুবরাজ মোহাম্মদ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সৌদি সূত্র আরাবি২১ অনলাইনকে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সৌদি সরকার রাজকুমারী রিমকে আটক করে। সৌদি রাজপরিবারে এই প্রথম কোনো নারী সদস্যকে আটক করা হলো।
গত শনিবার সৌদি আরবে হঠাৎ করেই কথিত দুর্নীতিবিরোধী কমিটি গঠন করা হয় যার প্রধান যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমান। ওইদিনই দেশটির ১১ জন প্রিন্স এবং বর্তমান ও সাবেক মন্ত্রীসহ মোট ৩০ জনকে আটক করা হয়।
দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের নামে এসব ব্যক্তিকে আটক করা হলেও বিশ্বের বহু বিশ্লেষক মনে করছেন, যুবরাজ মুহাম্মাদ নিজের ক্ষমতা নিরংকুশ করার জন্য এসব ধরপাকড় অভিযান চালাচ্ছে। নিজের ছেলেকে ক্ষমতায় বসাতে জন্য এবং তার ভাবমর্যাদা উজ্জ্বল করার জন্য রাজা সালমান বিন আবদুল আজিজ দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের নামে এসব করাচ্ছেন।
সৌদির কঠোর অবস্থান, দুর্নীতি তদন্তে দুই শতাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ!সৌদি আরবে দুর্নীতি তদন্তে দুই শতাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েক ডজন প্রিন্স, একাধিক মন্ত্রী, সাবেক মন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা রয়েছেন।
জানা যাচ্ছে, দেশের বাইরেও তদন্তের কাজ শুরু করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, অবৈধভাবে অন্তত ১০০ বিলিয়ন ডলার আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে সন্দেহ করছেন তারা।
সৌদি বাদশাহ সালমান সম্প্রতি এক ডিক্রির মাধ্যমে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে নতুন দুর্নীতি দমন কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন। এরপর ১১ জন প্রিন্স, চারজন মন্ত্রী এবং ডজনখানেক সাবেক মন্ত্রীকে আটক করার খবর আসে।
সৌদি আরবের অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ সৌদ আল-মোজেব বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘গত তিন বছর ধরে তদন্তের ভিত্তিতে আমরা ধারণা করছি, কয়েক দশকে ঘুষ, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে অন্তত ১০০ বিলিয়ন ডলার অপব্যবহার হয়েছে।’
এ পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদে ডাকা ২০৮ জনের মধ্যে সাতজনকে কোনো অভিযোগ ছাড়াই মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে তাদের নাম প্রকাশ করেননি।
এই তদন্তে কয়েক ডজন প্রিন্স, একাধিক মন্ত্রী ও ধনকুবেরকে আটকের কথা গত সপ্তাহে ঘোষণা করে সৌদি কর্তৃপক্ষ, যাকে যুবরাজ মোহাম্মদের প্রভাব আরও সুসংহত করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষের এই তদন্তে কার্যক্রম প্রতিবেশী দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতেও বিস্তৃত হয়েছে। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৯ সৌদির ব্যাংক হিসাবের বিস্তারিত তথ্য জানাতে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে।
বিলিয়নেয়ার প্রিন্স আল-ওয়ালিদ বিন তালাল ও ন্যাশনাল গার্ডের সাবেক প্রধান প্রিন্স মেতিব বিন আবদুল্লাহসহ এই ১৯ জনের প্রায় সবাইকে আটক করা হয় বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
সৌদি আরবের প্রয়াত বাদশাহ আবদুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজের ছেলে মেতিবকে এক সময় সিংহাসনের অন্যতম দাবিদার বলে মনে করা হত। রাজপরিবারে আবদুল্লাহর বংশধরদের মধ্যে কেবল তিনিই সৌদি সরকারের সর্বোচ্চ স্তরে ছিলেন।
যুবরাজ্যের নেতৃত্বে গঠিত দুর্নীতি দমন কমিটিকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার পাশাপাশি ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারিরও ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে।
জেদ্দায় ২০০৯ সালের বন্যা এবং ২০১২ সালে সৌদি আরবে মের্স ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ে দেশটিতে নতুন করে তদন্ত শুরুর তথ্য দিয়েছে সৌদি টেলিভিশন আল আরাবিয়া।
চলতি বছর জুনে সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হওয়ার পর থেকেই বিশ্বে সৌদি আরবের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে নানা ধরনের সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিচ্ছেন যুবরাজ মোহাম্মদ।
