অনলাইন ডেস্কঃ
ক্রমবর্ধমান জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যাগুলো মোকাবেলায় প্যারিস জলবায়ু
চুক্তির দ্রুত বাস্তবায়ন চায় কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন
(সিপিএ)। সিপিএ সম্মেলনে এ সমস্যা মোকাবেলায় একটি অভিন্ন কাঠামোর আওতায়
কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো।
সম্মেলনের সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্তে প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।
এদিকে, আজ বুধবার গাজীপুরের সখীপুর আনসার একাডেমিতে সম্মেলনোত্তর পুনর্মিলনী শেষে দেশে ফিরেছেন প্রতিনিধিরা।
সিপিএ সম্মেলনে গৃহীত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কমনওয়েলথভুক্ত অনেক উন্নয়নশীল ও দরিদ্র রাষ্ট্র ভবিষ্যত জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের ঝুঁকিতে রয়েছে। সুতরাং সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো এ ঝুঁকি মোকাবেলায় একটি কাঠামো নিশ্চিত করতে পারে।
সম্মেলনের ষষ্ঠ দিন গত সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে 'জলবায়ু পরিবর্তনে কমনওয়েলথ দেশসমূহের চ্যালেঞ্জ' শীর্ষক কর্মশালায় প্রতিনিধিরা এ সংক্রান্ত সুপারিশ গ্রহণ করেন। মঙ্গলবার প্রস্তাবটি সাধারণ অধিবেশনে উত্থাপন করা হলে সর্বসম্মতিতে গৃহীত হয় তা।
এ বিষয়ে ওই কর্মশালার সঞ্চালক সেন্ট হেলেন দ্বীপপুঞ্জের সংসদ সদস্য ডেরেক থমাস কালের কণ্ঠকে বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তন একটি বৈশ্বিক সমস্যা। সিপিএ সদস্য দেশগুলো প্রতিনিয়ত জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সুতরাং আমাদের সবার উচিত এই পৃথিবীকে রক্ষায় কার্বন নিঃসরণের মাত্রা কমিয়ে আনতে সম্মিলিতভাবে কাজ করা।
ডেরেক থমাস বলেন, "এই সমস্যা মোকাবেলায় গৃহীত সিদ্ধান্ত হলো কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো একটি কাঠামো নিশ্চিত করবে, যা ক্রমবর্ধমান জলবায়ু পরিবর্তনকে মোকাবেলা, প্রত্যেক অঞ্চলে তা বাস্তবায়ন এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক সম্মেলনে সাম্প্রতিক তথ্য উপাত্ত তুলে ধরবে। এ ছাড়া কার্বন নিঃসরণে আইনি সংস্কার, বিভিন্ন পলিসি বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ ও সম্পদ সচলকরণে কার্যকর ভূমিকা রাখা, যা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় সহায়ক হবে। "
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় সিপিএ প্রতিনিধিরা প্যারিস জলবায়ু চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়ন চেয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এ বিষয়ে কর্মশালার মূল আলোচক জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির প্রধান মারিয়া মংগোইট বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় উন্নত দেশগুলোর উচিত দরিদ্র দেশগুলোর প্রতি তাদের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তার হাত প্রসারিত করা। সিপিএ যে দুটি সুপারিশ গ্রহণ করেছে, আমি মনে করি এগুলো এই সমসা মোকাবেলায় অত্যন্ত কার্যকর হবে। "
সম্মেলনোত্তর পুনর্মিলনী
মঙ্গলবার সাধারণ অধিবেশন শেষে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন সদস্য দেশগুলো থেকে আগত প্রতিনিধিরা। দেশি-বিদেশি প্রতিনিধিরা আজ বুধবার গাজীপুরের সখীপুর আনসার একাডেমিতে পুনর্মিলনীতে মিলিত হন। সেখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য দেখার পাশাপাশি নানা আড্ডায় মিলিত হন তারা। সেখানে বাহারি খাবারের আয়োজনও ছিল। বিকেলে শেষ হয় পুনর্মিলনী।
পুনর্মিলনীতে অংশ নেন সিপিএ'র বিদায়ী চেয়ারপারসন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, বর্তমান চেয়ারপারসন ক্যামেরুনের ডেপুটি স্পিকার অ্যামেলিয়া মোনজোয়া লিফানকা, বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের প্রধান ও ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়া প্রমুখ।
উল্লেখ্য, রাজধানী ঢাকায় সিপিএ'র ৬৩তম সম্মেলন গত ১ নভেম্বর শুরু হয়। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় গত রবিবার এই সম্মেলন উদ্বোধন করেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্মেলনে সিপিএ'র ৫২টি সদস্য দেশের মধ্যে ৪৪টি দেশের জাতীয় ও প্রাদেশিক সংসদের ৫৬ জন স্পিকার, ২৩ জন ডেপুটি স্পিকারসহ প্রায় ৬০০ সংসদ সদস্য অংশগ্রহণ করেন।
মঙ্গলবার সাধারণ অধিবেশন শেষ হলেও বুধবার সম্মেলনোত্তর পুনর্মিলনীর মাধ্যমে শেষ হয় সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা।
সম্মেলনের সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্তে প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।
এদিকে, আজ বুধবার গাজীপুরের সখীপুর আনসার একাডেমিতে সম্মেলনোত্তর পুনর্মিলনী শেষে দেশে ফিরেছেন প্রতিনিধিরা।
সিপিএ সম্মেলনে গৃহীত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কমনওয়েলথভুক্ত অনেক উন্নয়নশীল ও দরিদ্র রাষ্ট্র ভবিষ্যত জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের ঝুঁকিতে রয়েছে। সুতরাং সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো এ ঝুঁকি মোকাবেলায় একটি কাঠামো নিশ্চিত করতে পারে।
সম্মেলনের ষষ্ঠ দিন গত সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে 'জলবায়ু পরিবর্তনে কমনওয়েলথ দেশসমূহের চ্যালেঞ্জ' শীর্ষক কর্মশালায় প্রতিনিধিরা এ সংক্রান্ত সুপারিশ গ্রহণ করেন। মঙ্গলবার প্রস্তাবটি সাধারণ অধিবেশনে উত্থাপন করা হলে সর্বসম্মতিতে গৃহীত হয় তা।
এ বিষয়ে ওই কর্মশালার সঞ্চালক সেন্ট হেলেন দ্বীপপুঞ্জের সংসদ সদস্য ডেরেক থমাস কালের কণ্ঠকে বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তন একটি বৈশ্বিক সমস্যা। সিপিএ সদস্য দেশগুলো প্রতিনিয়ত জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সুতরাং আমাদের সবার উচিত এই পৃথিবীকে রক্ষায় কার্বন নিঃসরণের মাত্রা কমিয়ে আনতে সম্মিলিতভাবে কাজ করা।
ডেরেক থমাস বলেন, "এই সমস্যা মোকাবেলায় গৃহীত সিদ্ধান্ত হলো কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো একটি কাঠামো নিশ্চিত করবে, যা ক্রমবর্ধমান জলবায়ু পরিবর্তনকে মোকাবেলা, প্রত্যেক অঞ্চলে তা বাস্তবায়ন এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক সম্মেলনে সাম্প্রতিক তথ্য উপাত্ত তুলে ধরবে। এ ছাড়া কার্বন নিঃসরণে আইনি সংস্কার, বিভিন্ন পলিসি বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ ও সম্পদ সচলকরণে কার্যকর ভূমিকা রাখা, যা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় সহায়ক হবে। "
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় সিপিএ প্রতিনিধিরা প্যারিস জলবায়ু চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়ন চেয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এ বিষয়ে কর্মশালার মূল আলোচক জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির প্রধান মারিয়া মংগোইট বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় উন্নত দেশগুলোর উচিত দরিদ্র দেশগুলোর প্রতি তাদের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তার হাত প্রসারিত করা। সিপিএ যে দুটি সুপারিশ গ্রহণ করেছে, আমি মনে করি এগুলো এই সমসা মোকাবেলায় অত্যন্ত কার্যকর হবে। "
সম্মেলনোত্তর পুনর্মিলনী
মঙ্গলবার সাধারণ অধিবেশন শেষে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন সদস্য দেশগুলো থেকে আগত প্রতিনিধিরা। দেশি-বিদেশি প্রতিনিধিরা আজ বুধবার গাজীপুরের সখীপুর আনসার একাডেমিতে পুনর্মিলনীতে মিলিত হন। সেখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য দেখার পাশাপাশি নানা আড্ডায় মিলিত হন তারা। সেখানে বাহারি খাবারের আয়োজনও ছিল। বিকেলে শেষ হয় পুনর্মিলনী।
পুনর্মিলনীতে অংশ নেন সিপিএ'র বিদায়ী চেয়ারপারসন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, বর্তমান চেয়ারপারসন ক্যামেরুনের ডেপুটি স্পিকার অ্যামেলিয়া মোনজোয়া লিফানকা, বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের প্রধান ও ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়া প্রমুখ।
উল্লেখ্য, রাজধানী ঢাকায় সিপিএ'র ৬৩তম সম্মেলন গত ১ নভেম্বর শুরু হয়। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় গত রবিবার এই সম্মেলন উদ্বোধন করেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্মেলনে সিপিএ'র ৫২টি সদস্য দেশের মধ্যে ৪৪টি দেশের জাতীয় ও প্রাদেশিক সংসদের ৫৬ জন স্পিকার, ২৩ জন ডেপুটি স্পিকারসহ প্রায় ৬০০ সংসদ সদস্য অংশগ্রহণ করেন।
মঙ্গলবার সাধারণ অধিবেশন শেষ হলেও বুধবার সম্মেলনোত্তর পুনর্মিলনীর মাধ্যমে শেষ হয় সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা।
