অনলাইন ডেস্কঃ সিলেট নগরীর উপশহরেরর একটি বহুতল ভবনে থাই গ্লাস বসানোর সময় মই ভেঙে পড়ে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। ভাইকে সাহায্য করতে গিয়ে ওই ভবনে তিনি থাই বসানোর কাজ করছিলেন।
শনিবার (১০ জুন) দুপুরে দিকে নগরীর উপশহরের মাল্টিপ্ল্যান ১৪ তলা ভবনের ৫ম তলা থেকে পড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জুনায়েদ মদনমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ লামাবাজার শাখার অনার্স (বাংলা) ২য় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার জিন্দাইর গ্রামের ডাঃ মোহাম্মদ আলী ও আমেনা খাতুনের ছেলে।
নিহতের বড় ভাই হাবিব আহমদ জানান- তিনি এলটেকো থাই এন্ড এলুমিনিয়ামের কাছ থেকে এই বহুতল ভবনের কন্ট্রাক্টে কাজ আনেন। তাই তার ছোট ভাই জুনায়েদ তার কাজের সাহায্য করতে মাল্টিপ্ল্যানের পঞ্চম তলাতে থাই গ্লাসের কাজ করছিলো। কাজ করার সময় হঠাৎ মইয়ের বাঁশ ভেঙে নিচে পরে যায় সে। পরে সাথে সাথে তাকে ওসমানী মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সিলেট শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন জানান- থাই গ্লাসের কাজ করতে গিয়ে একজন শ্রমিক বাঁশ ভেঙে নিচে পড়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। তার লাশ এখন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা আছে।
শনিবার (১০ জুন) দুপুরে দিকে নগরীর উপশহরের মাল্টিপ্ল্যান ১৪ তলা ভবনের ৫ম তলা থেকে পড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জুনায়েদ মদনমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ লামাবাজার শাখার অনার্স (বাংলা) ২য় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার জিন্দাইর গ্রামের ডাঃ মোহাম্মদ আলী ও আমেনা খাতুনের ছেলে।
নিহতের বড় ভাই হাবিব আহমদ জানান- তিনি এলটেকো থাই এন্ড এলুমিনিয়ামের কাছ থেকে এই বহুতল ভবনের কন্ট্রাক্টে কাজ আনেন। তাই তার ছোট ভাই জুনায়েদ তার কাজের সাহায্য করতে মাল্টিপ্ল্যানের পঞ্চম তলাতে থাই গ্লাসের কাজ করছিলো। কাজ করার সময় হঠাৎ মইয়ের বাঁশ ভেঙে নিচে পরে যায় সে। পরে সাথে সাথে তাকে ওসমানী মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সিলেট শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন জানান- থাই গ্লাসের কাজ করতে গিয়ে একজন শ্রমিক বাঁশ ভেঙে নিচে পড়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। তার লাশ এখন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা আছে।
