স্পোর্টস
ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপপর্বে হারতে ভুলে বসা বার্সেলোনা হারল
অবশেষে। ২০১৬ সালের পর তাদেরকে প্রথম হারের তেঁতো স্বাদ দিলো জুভেন্টাস।
একই সঙ্গে দীর্ঘদিন পর ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসির দ্বৈরথে চওড়া
হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়লেন সিআরসেভেন। ম্যাচে রোনালদো করেছেন জোড়া গোল। মেসির
ঝুলিতে কোন গোল নেই, তবে ম্যাচে খেলেছেন দারুণ।
মঙ্গলবার রাতে কাম্প
নউয়ে ‘জি’ গ্রুপের ম্যাচে ৩-০ গোলে জিতেছে জুভেন্টাস। রোনালদোর দুই গোল
বাদে বাকি গোলটি করেছেন ওয়েস্টন ম্যাককেনি।
গত অক্টোবরে প্রথম দেখায় জুভেন্টাসের মাঠে ২-০ গোলে জিতেছিল বার্সেলোনা। ওই ম্যাচে করোনার কারণে খেলতে পারেননি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।
সব
প্রতিযোগিতা মিলে এই নিয়ে টানা দুই ম্যাচ হারল বার্সেলোনা। গত শনিবার লা
লিগায় নবাগত কাদিসের মাঠে বিবর্ণ পারফরম্যান্সে তারা হেরেছিল ২-১ গোলে।
জুভেন্টাস
এগিয়ে যায় ম্যাচের ১৩তম মিনিটে। বাঁ দিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়া রোনালদোকে
ফাউল করেন ডিফেন্ডার রোনালদো আরাহো। পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।
গোলরক্ষক টের স্টেগেনকে বোকা বানিয়ে বল জালে পাঠান পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড। আসরে
টানা তিন ম্যাচে গোল পেলেন রোনালদো।
২০তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ
করেন ম্যাককেনি। ডান দিক থেকে কুয়াদরাদোর ক্রস ছয় গজ বক্সের বাইরে পেয়ে
শরীর পুরো শূন্যে ভাসিয়ে ডান পায়ের ভলিতে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন
যুক্তরাষ্ট্রের এই মিডফিল্ডার।
দ্বিতীয়ার্ধের সপ্তম মিনিটে রোনালদোর
দ্বিতীয় গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পেয়ে যায় জুভেন্টাস। বার্সেলোনার ডি-বক্সে
ডিফেন্ডার ক্লেমোঁ লংলের হাতে বল লাগলে ভিএআরের সাহায্যে পেনাল্টির বাঁশি
বাজান রেফারি। কোনাকুনি শটে গোলটি করেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগের রেকর্ড গোলদাতা।
প্রতিযোগিতায় তার মোট গোল হলো ১৩৪টি।
ছয় ম্যাচে পাঁচ জয়ে
জুভেন্টাসের পয়েন্ট ১৫। নকআউট পর্বে তাদের সঙ্গী বার্সেলোনার পয়েন্টও ১৫।
অন্য ম্যাচে ফেরেন্সভারোসকে ১-০ গোলে হারিয়েছে দিনামো কিয়েভ।
