অনলাইন
ডেস্কঃ অনলাইনে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির ক্লাস রোববার থেকে
শুরু হয়েছে। নভেল করোনাভাইরাসজনিত পরিস্থিতির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ
থাকায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এ
ব্যবস্থা নিয়েছে।
রোববার
(৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় ঢাকা কলেজের উদ্যোগে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত থেকে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের
ক্লাসের উদ্বোধন ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ।
উদ্বোধনী
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, নানা
প্রতিবন্ধকতা থাকার পরও অনলাইনে ক্লাস শুরু হচ্ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য
তা সফল হয়েছে।
করোনাভাইরাস পরবর্তী সময়েও অনলাইনের মাধ্যমে
শিক্ষাকার্যক্রম অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা
ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্টের কথা বলি। সেটি বাস্তবায়ন করতে হলে ভবিষ্যতে অনলাইন
কার্যক্রমের সাথে আমাদের সম্পৃক্ত হতেই হতো। করোনা পরিস্থিতি আমাদের সেই
সুযোগ এখনই করে দিয়েছে। সংকট অনেক সময় আমাদের জন্য সম্ভাবনা নিয়ে আসে।
করোনাভাইরাসও আমাদের সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে দিয়েছে। যেটা আমরা আজ
থেকে পাঁচবছর পর করতাম সেটির সাথে আমরা এখন থেকেই অভ্যস্ত হয়ে গেলাম।
করোনাপরবর্তী সময়েও অনলাইনে শিক্ষাকার্যক্রম চলমান থাকবে।
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন,
শিক্ষাটা যেন মানুষের আভিজাত্য তৈরি করতে না পারে, আমাদের সেদিকে খেয়াল
রাখতে হবে। আমাদের শিক্ষাকে সাধারণ মানুষের চাহিদা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠা করতে
হবে। কোনো কাজই ছোট না। একজন কৃষক শিক্ষার অভাবে কৃষিকাজ ঠিকভাবে করতে পারে
না। কিন্তু একজন শিক্ষিত ব্যক্তি কৃষিকাজ করলে কৃষির ব্যাপক বিপ্লব ঘটবে।
আমাদের
দেশের শিক্ষার্থীরা আত্মসম্মানবোধ রোগে ভোগেন উল্লেখ করে উপমন্ত্রী বলেন,
তারা অনেক পেশাকেই সম্মানের চোখে দেখেন না। দেশের বাইরে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের
সময় আমি নিজে ওয়েটারের কাজ করেছি। এটি আমাদের দেশের অনেক মানুষের কাছে
নিচু কাজ মনে হবে।
ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক নেহাল আহমেদের
সঞ্চালনায় আরও অংশগ্রহন করেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো.
মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম
খান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো.
গোলাম ফারুক, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হকসহ
দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ। এছাড়াও অনলাইনে মূল অনুষ্ঠানের
সাথে যুক্ত ছিলো একাদশে নতুন ভর্তিকৃত চার'শ শিক্ষার্থী।
