নিউজ
ডেস্কঃ করোনা মহামারির আগে যারা বিমানের টিকেট কেটেছিলেন তাদের আগে দেয়া
হচ্ছে বলে টিকেটের সঙ্কট তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও
পর্যটন মন্ত্রণালয়।
বিমানের টিকেট না পেয়ে বিদেশগামীদের ক্ষোভ ও
চট্টগ্রামে ভাংচুরের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (১৬ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
মন্ত্রণালয় এই ব্যাখ্যা দেয়।
করোনাভাইরাস মহামারির কারণে গত মার্চ
থেকে বিমান চলাচল ছিল বন্ধ। জুন থেকে ধীরে ধীরে বিভিন্ন রুট চালু করার পর
এখন আবুধাবি ও দুবাই পথেও চলাচল শুরু করছে বিমান।
তবে আবুধাবি ও
দুবাইগামী প্রবাসীরা বিমানের টিকেট কাটতে গিয়ে তা পাচ্ছেন না। গত বুধবার
চট্টগ্রামে বিমান অফিসে ভাংচুরও চালায় টিকেট প্রত্যাশীরা।
মন্ত্রণালয়ের
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সিদ্ধান্ত গ্রহণ
করেছে যে, ঢাকা-দুবাই ও ঢাকা-আবুধাবি রুটে যে সমস্ত যাত্রী পূর্বে ফিরতি
টিকেট করার পরও কভিড-১৯ এর কারণে তখন যেতে পারেননি, আগে তাদের টিকেট প্রদান
করা হবে। ফিরতি টিকেট রি-ইস্যু করা সম্পন্ন হওয়ার পরই কেবল নতুন করে
টিকিট বিক্রি শুরু করা হবে।
আগে যারা টিকেট কিনেছেন, তাদের অতিরিক্ত কোনো অর্থ দিতে হবে না বলেও জানানো হয়েছে।
এছাড়া
আবুধাবি রুটের সেপ্টেম্বর মাসের শিডিউল আবুধাবি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদন
হওয়া মাত্রই সেপ্টেম্বর মাসের টিকেট বিক্রি করা শুরু হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে
জানানো হয়।
এখন স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাত্রী পরিবহন করতে হচ্ছে বলে আসন সংখ্যা কমে যাওয়াও টিকেট সঙ্কটের কারণ বলে জানিয়েছে বিমান।
বেবিচক
বলেছে, মহামারিকালে এয়ারক্রাফটের ধারণক্ষমতার ৭৫ শতাংশের বেশি যাত্রী
নেওয়া যাবে না। যাত্রীদের বসার ক্ষেত্রে দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে।
মন্ত্রণালয়ের
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উপরন্তু, দুবাই ও আবুধাবিগামী কোনো ফ্লাইটে ২৪০
জনের বেশি যাত্রী পরিবহন না করতে সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা
রয়েছে।
এই নির্দেশনার কারণে বিমানের বোয়িং-৭৭৭ উড়োজাহাজে ৪১৯ জন ও বোয়িং- ৭৮৭-৮ এ ২৭১ জন যাত্রী পরিবহনের সুযোগ থাকলেও তা করা যাচ্ছে না।
বিমান
বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে ঢাকা-আবুধাবি-ঢাকা রুটে ৬টি,
ঢাকা-দুবাই-ঢাকা রুটে ৭টি, ঢাকা-লন্ডন- ঢাকা রুটে ১টি, ঢাকা-
কুয়ালালামপুর-ঢাকা রুটে ২টি, ঢাকা- গুয়াংজু-ঢাকা রুটে ২টি ও ঢাকা-
হংকং-ঢাকা রুটে ২টি কার্গো ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
