নিউজ ডেস্কঃ করোনা
ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের
সহকারী অধ্যাপক ডা. মঈন উদ্দিনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার রাত ৯টায়
নিজের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের ছাতকের উত্তর খুরমা ইউনিয়নের নাদামপুরে
গ্রামের বাড়িতে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
পিতা-মাতার কবরের পাশেই সমাহিত করা হয় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া দেশের প্রথম এই চিকিৎসককে।
ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. গোলাম কবির জানান, সংক্রমণ ব্যাধির স্বাস্থ্য বিধি মেনে ডা. মঈনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তার জানাজার নামাজের ইমামতি করেন মাস্টার ইসরাফীল আহমদ। জানাজায় ৬ জন অংশ নেন।
এরআগে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের পক্ষ থেকে ডা. মঈন উদ্দিনকে গোসল দেয়া এবং মরদেহে কাফন পরানো হয়।
মঙ্গলবার ভোরে ঢাকার কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ডা. মঈন।
প্রসঙ্গত, গত ৫ এপ্রিল সিলেটে করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) প্রথম আক্রান্ত রোগী হিসেবে এই চিকিৎসককে সনাক্ত করা হয়। সেদিন রাতে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এর বরাত দিয়ে ওই রোগীর কোভিড-১৯ পজিটিভ পাওয়ার তথ্য জানান সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. প্রেমানন্দ মণ্ডল।
তখন তিনি জানান, আক্রান্ত চিকিৎসক বেশ কিছুদিন ধরে জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। শনিবার তার রক্তের নমুনা ঢাকায় প্রেরণ করলে রোববার বিকেলে রিপোর্ট পজিটিভ আসার কথা জানানো হয়। তবে ওই রোগীর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক নয় বলেও সে সময় জানান সিভিল সার্জন। তখন থেকেই তিনি বাসায় সেলফ আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।
পরে ৭ এপ্রিল রাতে তার শারীরিক অবস্থায় অবনতি হলে আশঙ্কাজনক বাসা থেকে ওই চিকিৎসককে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে নেয়া হয়। প্রথমে হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হলেও পরে সাড়ে ১১টার দিকে কেবিনে নিয়ে আসা হয়। অক্সিজেন সাপোর্ট দিয়ে তার শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখা হয়।
তবে পরদিন ৮ এপ্রিল ঢাকায় পাঠানো হয় এই চিকিৎসককে। সেদিন বিকেল সাড়ে পাঁচটায় একটি বেসরকারি হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করা হয় তাকে। সেখানেই ৭দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ সকাল পৌনে সাতটায় তিনি মারা যান।
পিতা-মাতার কবরের পাশেই সমাহিত করা হয় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া দেশের প্রথম এই চিকিৎসককে।
ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. গোলাম কবির জানান, সংক্রমণ ব্যাধির স্বাস্থ্য বিধি মেনে ডা. মঈনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তার জানাজার নামাজের ইমামতি করেন মাস্টার ইসরাফীল আহমদ। জানাজায় ৬ জন অংশ নেন।
এরআগে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের পক্ষ থেকে ডা. মঈন উদ্দিনকে গোসল দেয়া এবং মরদেহে কাফন পরানো হয়।
মঙ্গলবার ভোরে ঢাকার কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ডা. মঈন।
প্রসঙ্গত, গত ৫ এপ্রিল সিলেটে করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) প্রথম আক্রান্ত রোগী হিসেবে এই চিকিৎসককে সনাক্ত করা হয়। সেদিন রাতে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এর বরাত দিয়ে ওই রোগীর কোভিড-১৯ পজিটিভ পাওয়ার তথ্য জানান সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. প্রেমানন্দ মণ্ডল।
তখন তিনি জানান, আক্রান্ত চিকিৎসক বেশ কিছুদিন ধরে জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। শনিবার তার রক্তের নমুনা ঢাকায় প্রেরণ করলে রোববার বিকেলে রিপোর্ট পজিটিভ আসার কথা জানানো হয়। তবে ওই রোগীর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক নয় বলেও সে সময় জানান সিভিল সার্জন। তখন থেকেই তিনি বাসায় সেলফ আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।
পরে ৭ এপ্রিল রাতে তার শারীরিক অবস্থায় অবনতি হলে আশঙ্কাজনক বাসা থেকে ওই চিকিৎসককে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে নেয়া হয়। প্রথমে হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হলেও পরে সাড়ে ১১টার দিকে কেবিনে নিয়ে আসা হয়। অক্সিজেন সাপোর্ট দিয়ে তার শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখা হয়।
তবে পরদিন ৮ এপ্রিল ঢাকায় পাঠানো হয় এই চিকিৎসককে। সেদিন বিকেল সাড়ে পাঁচটায় একটি বেসরকারি হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করা হয় তাকে। সেখানেই ৭দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ সকাল পৌনে সাতটায় তিনি মারা যান।
