বিশেষ প্রতিনিধিঃ
কুলাউড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নে অবস্থিত কালিটি চা-বাগানের শ্রমিকদের মজুরি
প্রায় তিন মাস থেকে ধরে বন্ধ রয়েছে। এতে ৫৩৬ স্থায়ী শ্রমিক পরিবারসহ হাজার
খানিক শ্রমিক পরিবরার মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত এর উপলক্ষ্যে ভুখা মিছিল করেছে চা শ্রমিকরা।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত এর উপলক্ষ্যে ভুখা মিছিল করেছে চা শ্রমিকরা।
শ্রমিকরা
জানান, কালিটি বাগানটি ‘কালিটি টি কোম্পানি লিমিটেডের’ নামে সরকারের কাছ
থেকে ইজারা নেয়া হয়েছে। বাগানে মোট ৫৩৬ জন নিয়মিত শ্রমিক কাজ করেন।
প্রত্যেক শ্রমিক দৈনিক ১০২ টাকা করে মজুরি পান। প্রতি সপ্তাহের তা পরিশোধের
কথা। কিন্তু ১২ সপ্তাহ ধরে শ্রমিকরা তাদের মজুরি পাচ্ছেন না।
বাগান পাঞ্চায়েত কমিটির সম্পাদক উত্তম কালোয়ার জানান, শ্রমিকরা এমনিতেই সামান্য মজুরি পান। আর যদি ১২ সপ্তাহ থেকে কেউ সেই মজুরি পায় না, তাহলে কি অবস্থা হতে পারে? ঘরে চাল-ডাল নেই। উপোস দিন কাটাতে হচ্ছে। বাগান কর্তৃপক্ষ আজ দিচ্ছি, কাল দিচ্ছি বলে সময়ক্ষেপণ করছে।
গণমুক্তির গানের দলের কুলাউড়া শাখার সাধারণ সম্পাদক চা শ্রমিক দয়াল অলমিক বলেন, চা শ্রমিকরা যেনো অন্য গ্রহের বাসিন্দা। তাদের কিছুই থাকতে নেই। কেউ আমাদের 'মানুষ' ভাবেনা। তাই আমাদের সামনে এখন লড়াই ছাড়া বিকল্প পথ নেই। কারণ অধিকার আদায় করে নিতে হয়।
বাগান পাঞ্চায়েতের এডহক কমিটির সাবেক সভাপতি বিশ্বজিৎ দাশ অভিযোগ করে জানান, বাগানে দীর্ঘদিন ধরে চলছে নানা সমস্যা। আগের মজুরিরও বেশ কিছু টাকা বকেয়া পড়ে আছে শ্রমিকদের। বেশিরভাগ শ্রমিক জরাজীর্ণ কাঁচাঘরে বাস করেন। এসব ঘর মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না। অবসরে যাওয়া শ্রমিকরা তহবিলের টাকা পাচ্ছেন না। অথচ মজুরি থেকে সাত শতাংশ করে ভবিষ্যৎ তহবিলের টাকা কেটে রাখা হয়।
বাগান পাঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি শম্ভু দাস জানান, এর সঙ্গে মালিকপক্ষ আরও সাত শতাংশ যোগ করে মোট ১৫ শতাংশ টাকা শ্রম অধিদপ্তরে জমা দেয়ার কথা। বাগান কর্তৃপক্ষ তা-ও করছে না। বাগানে চিকিৎসক নেই। বাগানে বিরাজমান এসব সমস্যার প্রতিকারের জন্য শ্রমিকরা শ্রীমঙ্গলে শ্রম অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের কাছে লিখিত আবেদনও করেছেন। কিন্তু ১২ সপ্তাহ যাবত কোন সুরাহা হয়নি। আমরা কোন উপায় না পেয়ে আজ ভুখা মিছিল করছি।
কালিটি বাগানের ব্যবস্থাপক প্রণব কান্তি দেব জানান, কোম্পানির কাছ থেকে যথাসময়ে টাকা না পাওয়ায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। মালিকপক্ষ জানিয়েছে, একসঙ্গে পাঁচ সপ্তাহের মজুরিসহ সমস্যারও পর্যায়ক্রমে সমাধান হবে। তিনিসহ বাগানের বিভিন্ন পর্যায়ের ১৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর ১১ মাসের বেতন বন্ধ আছে।
বাগান পাঞ্চায়েত কমিটির সম্পাদক উত্তম কালোয়ার জানান, শ্রমিকরা এমনিতেই সামান্য মজুরি পান। আর যদি ১২ সপ্তাহ থেকে কেউ সেই মজুরি পায় না, তাহলে কি অবস্থা হতে পারে? ঘরে চাল-ডাল নেই। উপোস দিন কাটাতে হচ্ছে। বাগান কর্তৃপক্ষ আজ দিচ্ছি, কাল দিচ্ছি বলে সময়ক্ষেপণ করছে।
গণমুক্তির গানের দলের কুলাউড়া শাখার সাধারণ সম্পাদক চা শ্রমিক দয়াল অলমিক বলেন, চা শ্রমিকরা যেনো অন্য গ্রহের বাসিন্দা। তাদের কিছুই থাকতে নেই। কেউ আমাদের 'মানুষ' ভাবেনা। তাই আমাদের সামনে এখন লড়াই ছাড়া বিকল্প পথ নেই। কারণ অধিকার আদায় করে নিতে হয়।
বাগান পাঞ্চায়েতের এডহক কমিটির সাবেক সভাপতি বিশ্বজিৎ দাশ অভিযোগ করে জানান, বাগানে দীর্ঘদিন ধরে চলছে নানা সমস্যা। আগের মজুরিরও বেশ কিছু টাকা বকেয়া পড়ে আছে শ্রমিকদের। বেশিরভাগ শ্রমিক জরাজীর্ণ কাঁচাঘরে বাস করেন। এসব ঘর মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না। অবসরে যাওয়া শ্রমিকরা তহবিলের টাকা পাচ্ছেন না। অথচ মজুরি থেকে সাত শতাংশ করে ভবিষ্যৎ তহবিলের টাকা কেটে রাখা হয়।
বাগান পাঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি শম্ভু দাস জানান, এর সঙ্গে মালিকপক্ষ আরও সাত শতাংশ যোগ করে মোট ১৫ শতাংশ টাকা শ্রম অধিদপ্তরে জমা দেয়ার কথা। বাগান কর্তৃপক্ষ তা-ও করছে না। বাগানে চিকিৎসক নেই। বাগানে বিরাজমান এসব সমস্যার প্রতিকারের জন্য শ্রমিকরা শ্রীমঙ্গলে শ্রম অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের কাছে লিখিত আবেদনও করেছেন। কিন্তু ১২ সপ্তাহ যাবত কোন সুরাহা হয়নি। আমরা কোন উপায় না পেয়ে আজ ভুখা মিছিল করছি।
কালিটি বাগানের ব্যবস্থাপক প্রণব কান্তি দেব জানান, কোম্পানির কাছ থেকে যথাসময়ে টাকা না পাওয়ায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। মালিকপক্ষ জানিয়েছে, একসঙ্গে পাঁচ সপ্তাহের মজুরিসহ সমস্যারও পর্যায়ক্রমে সমাধান হবে। তিনিসহ বাগানের বিভিন্ন পর্যায়ের ১৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর ১১ মাসের বেতন বন্ধ আছে।

