অনলাইন ডেস্কঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ও জালিয়াতি ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। এছাড়া ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি ঠেকোতে এন্টি প্রক্সি নামের একটি মোবাইল অ্যাপস ব্যবহার করা হবে। বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী এসব কথা জানান।
তিনি বলেন, ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ও জালিয়াতি ঠেকাতে এ বছর ক্যাম্পাসের ভেতরে সব ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য আমরা দুটি শিফটে পরীক্ষা নেওয়া ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া পরীক্ষার্থীদের সকালের শিফটে ৯টা ৪৫ মিনিটে এবং বিকালের শিফটে ২টা ১৫ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে। এরপর কোন শিক্ষার্থীকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। এছাড়া অন্য কোন ধরনের ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে রাখতে পারবে না।
মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. হানিফ সিদ্দিকী বলেন, ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি ঠেকাতে এ বছর এন্টি প্রক্সি নামের একটি মোবাইল অ্যাপস ব্যবহার করা হবে। কোন শিক্ষার্থী যদি প্রবেশপত্রের ছবি পরিবর্তন করে অন্য কারো পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এবং পরীক্ষা পরিদর্শক যদি সন্দেহ করে তাহলে এই অ্যাপসটির মাধ্যমে যে ছবি পরিবর্তন করা হয়েছে তা বের করা যাবে। ফলে কোন শিক্ষার্থী এবার প্রক্সি দেওয়ার চিন্তাও করতে পারবে না।
সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীন আখতার, কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. সেকান্দর চৌধুরী, ব্যবসা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এএএম আওরঙ্গজেব, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. ফরিদ উদ্দিন আহামেদ, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মাহাবুবুর রহমান, আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর এবিএম আবু নোমান ও প্রক্টর মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী প্রমুখ।
উল্লেখ্য, আগামী ২৭ অক্টোবর শনিবার ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।এই ইউনিটে দুটি শিফটে পরীক্ষা নেওয়া হবে। ‘বি’ ইউনিটের ১ হাজার ৫শত ৫৪টি আসনের বিপরীতে ৩১ হাজার ৭শত ৯০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। অর্থাৎ প্রতি আসনে লড়বে ২০ জন পরীক্ষার্থী। এছাড়া ২৮, ২৯ ও ৩০ অক্টোবর সকাল দশটায় যথাক্রমে ডি, সি এবং এ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ‘বি-১’ উপ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৩১ তারিখ সকাল ১০টায় এবং দুপুর আড়াইটায় ‘ডি’১ উপ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে। এছাড়া ভর্তির বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (http://admission.cu.ac.bd) থেকে জানা যাবে।
তিনি বলেন, ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ও জালিয়াতি ঠেকাতে এ বছর ক্যাম্পাসের ভেতরে সব ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য আমরা দুটি শিফটে পরীক্ষা নেওয়া ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া পরীক্ষার্থীদের সকালের শিফটে ৯টা ৪৫ মিনিটে এবং বিকালের শিফটে ২টা ১৫ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে। এরপর কোন শিক্ষার্থীকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। এছাড়া অন্য কোন ধরনের ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে রাখতে পারবে না।
মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. হানিফ সিদ্দিকী বলেন, ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি ঠেকাতে এ বছর এন্টি প্রক্সি নামের একটি মোবাইল অ্যাপস ব্যবহার করা হবে। কোন শিক্ষার্থী যদি প্রবেশপত্রের ছবি পরিবর্তন করে অন্য কারো পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এবং পরীক্ষা পরিদর্শক যদি সন্দেহ করে তাহলে এই অ্যাপসটির মাধ্যমে যে ছবি পরিবর্তন করা হয়েছে তা বের করা যাবে। ফলে কোন শিক্ষার্থী এবার প্রক্সি দেওয়ার চিন্তাও করতে পারবে না।
সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীন আখতার, কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. সেকান্দর চৌধুরী, ব্যবসা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এএএম আওরঙ্গজেব, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. ফরিদ উদ্দিন আহামেদ, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মাহাবুবুর রহমান, আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর এবিএম আবু নোমান ও প্রক্টর মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী প্রমুখ।
উল্লেখ্য, আগামী ২৭ অক্টোবর শনিবার ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।এই ইউনিটে দুটি শিফটে পরীক্ষা নেওয়া হবে। ‘বি’ ইউনিটের ১ হাজার ৫শত ৫৪টি আসনের বিপরীতে ৩১ হাজার ৭শত ৯০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। অর্থাৎ প্রতি আসনে লড়বে ২০ জন পরীক্ষার্থী। এছাড়া ২৮, ২৯ ও ৩০ অক্টোবর সকাল দশটায় যথাক্রমে ডি, সি এবং এ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ‘বি-১’ উপ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৩১ তারিখ সকাল ১০টায় এবং দুপুর আড়াইটায় ‘ডি’১ উপ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে। এছাড়া ভর্তির বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (http://admission.cu.ac.bd) থেকে জানা যাবে।
