অনলাইন ডেস্কঃ দেশে কোরবানির পশুর কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার পুলিশ হেড কোয়ার্টার্সে আয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
‘১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উদযাপন এবং ঈদুল আজহা’ এ উপলক্ষে সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।সভায় কোরবানির পশুর হাটে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারী এবং পশুর হাটে অতিরিক্ত হাসিল আদায়কারীসহ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়।
সড়ক, রেল, নৌপথ, পশুরহাট এবং ঈদ জামাতস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়ে সভায় আইজিপি বলেন, সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছাড়া মহাসড়কে কোরবানির পশুবাহী ট্রাক থামানো যাবে না। এছাড়া নির্ধারিত ঘাট ব্যতীত কোরবানির পশু উঠানামা রোধ, পশুরহাটে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন, পশুর হাট ইজারাদার কর্তৃক হাসিল হার প্রদর্শন, নির্ধারিত হারের অতিরিক্ত হাসিল আদায় না করা, কোরবানির পশু ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিন স্থাপন এবং যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখা ইত্যাদি বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
আইজিপি আরো বলেন, কোরবানির পশু পরিবহনে ব্যবহৃত নৌপথ ও সড়কপথে চাঁদাবাজি রোধে পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবে। পরিবহনের গায়ে উৎসস্থল ও গন্তব্যস্থলের নাম সম্বলিত ব্যানার সংযুক্ত করতে হবে।সভায় ঈদকে কেন্দ্র করে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে মনিটরিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ঈদ জামাতস্থল, লঞ্চ, ট্রেন, বাস এবং মসজিদে জঙ্গি গোষ্ঠীর নাশকতারোধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন ও অপারেশন্স) মো. মোখলেসুর রহমান, অতিরিক্ত আইজিপি (এফএন্ডডি) মো. মইনুর রহমান চৌধুরী, র্যাবের ডিজি বেনজীর আহমেদ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া, রেলওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আবুল কাশেম, এপিবিএন পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি সিদ্দিকুর রহমান, এটিইউ এর অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, শিল্পাঞ্চল পুলিশের ডিজি আবদুস সালাম, সব পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ, হাইওয়ে, রেলওয়ে, নৌ ও ট্যুরিস্ট পুলিশসহ অন্যান্য ইউনিটের ডিআইজিরা।
