রাজনগর প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের রাজনগরে অস্ত্রসহ আন্তঃবিভাগীয় ডাকাত চক্রের দুই সদস্যকে
গ্রেফতার করেছে রাজনগর থানার পুলিশ। সোমবার রাতে উপজেলার দক্ষিণ দাশপাড়া
এলাকা থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তাদেরকে গ্রেফতার করে রাজনগর থানার
পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ১টি পাইপগান, ২টি কার্তুজ ও ৩টি ছুরি উদ্ধার
করা হয়েছে। এ ঘটনায় রাজনগর থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, রাজনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের দাশপাড়া এলাকায় সোমবার রাত দেড়টার দিকে ১০-১২ জনের একদল ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে গোপন সূত্রে খবর পায় রাজনগর থানার পুলিশ। খবর পেয়ে পুলিশের তাৎক্ষনিক দুটি টিম ওই এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা পালানোর চেষ্টা করে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে দুই ডাকাতকে আটক করা হয়। তবে, অন্যরা পালিয়ে যায়। আটকৃতরা হলো- উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের বিলবাড়ী গ্রামের বিরদা কান্তি দাসের ছেলে সহদেব দাস সুমন (৩৫), টেংরা ইউনিয়নের ডেফলউড়া গ্রামের মৃত সাজিদ মিয়ার ছেলে দুরুদ মিয়া (৩৮)। পরে তাদের দেহ ও তাদের আস্তানা তল্লাশি করে ১টি দেশীয় তৈরী ওয়ান সুটার এলজি (পাইপগান), ২টি কার্তুজ ও ৩টি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্থানীয় কয়েকজন ডাকাতকে সাথে নিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে পুলিশকে জানিয়েছে। এ ঘটনায় রাজনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দীপক চন্দ্র দাস বাদী হয়ে দুটি মামলা (নং-১০ ও ১১; তাং-১০/০৪/২০১৮) করেছেন।
রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বণিক বলেন, আসামীরা আন্তঃবিভাগীয় ডাকাত চক্রের সদস্য। তারা সমগ্র সিলেট বিভাগে ডাকাত দল গঠন করে ডাকাতি করে থাকে। তাদের বিরুদ্ধে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে। আসামীদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, রাজনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের দাশপাড়া এলাকায় সোমবার রাত দেড়টার দিকে ১০-১২ জনের একদল ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে গোপন সূত্রে খবর পায় রাজনগর থানার পুলিশ। খবর পেয়ে পুলিশের তাৎক্ষনিক দুটি টিম ওই এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা পালানোর চেষ্টা করে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে দুই ডাকাতকে আটক করা হয়। তবে, অন্যরা পালিয়ে যায়। আটকৃতরা হলো- উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের বিলবাড়ী গ্রামের বিরদা কান্তি দাসের ছেলে সহদেব দাস সুমন (৩৫), টেংরা ইউনিয়নের ডেফলউড়া গ্রামের মৃত সাজিদ মিয়ার ছেলে দুরুদ মিয়া (৩৮)। পরে তাদের দেহ ও তাদের আস্তানা তল্লাশি করে ১টি দেশীয় তৈরী ওয়ান সুটার এলজি (পাইপগান), ২টি কার্তুজ ও ৩টি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্থানীয় কয়েকজন ডাকাতকে সাথে নিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে পুলিশকে জানিয়েছে। এ ঘটনায় রাজনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দীপক চন্দ্র দাস বাদী হয়ে দুটি মামলা (নং-১০ ও ১১; তাং-১০/০৪/২০১৮) করেছেন।
রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বণিক বলেন, আসামীরা আন্তঃবিভাগীয় ডাকাত চক্রের সদস্য। তারা সমগ্র সিলেট বিভাগে ডাকাত দল গঠন করে ডাকাতি করে থাকে। তাদের বিরুদ্ধে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে। আসামীদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
