বিনোদন ডেস্কঃ শাকিবের ছবি মানেই ব্যবসাসফল সিনেমা। কিন্তু বাংলাদেশের সুপারস্টারের ছবি মুক্তি পাচ্ছে ওপারে, কলকাতায়। এ নিয়ে হতাশ এপাড় বাংলার দর্শক আর সিনেমা হল মালিকরা। কথা ছিল ৬ এপ্রিল মুক্তি পাবে শাকিব খান অভিনীত কলকাতার ছবি ‘চালবাজ’।
ঢাকার এন ইউ ট্রেডার্সের পক্ষে কামাল কিবরিয়া লিপু সরকারের রপ্তানির বিনিময়ে আমদানির অধীনে ছবিটি আনতে যাচ্ছিলেন। জানা যায়, ‘চালবাজ’ ছবিটি আমদানির জন্য ৮ মার্চ তথ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন তিনি।
কিন্তু দীর্ঘ সময় পার করে ২১ মার্চ অতিরিক্ত তথ্য সচিব ছবির আমদানি-রপ্তানি কমিটির সদস্যদের বৈঠকে ডাকেন। ওই দিন বেলা ১১টায় বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও সচিব আসেন বেলা আড়াইটায়। তিনি এসে কোনো সিদ্ধান্ত না দিয়েই তাড়াহুড়া করে বৈঠক শেষ করেন বলে আমদানি-রপ্তানিকারকরা অভিযোগ করেন। ফলে ৬ এপ্রিল ছবিটির মুক্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
কিন্তু তথ্য মন্ত্রী ফের ২৭ মার্চ চালবাজ ছবিটি দ্রুত আমদানির ব্যবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্টকে নির্দেশ দেন। ওই দিন বিকালেই আমদানি-রপ্তানিকারকদের নিয়ে সচিব জরুরি বৈঠক করে ছবিটি আমদানির জন্য পদক্ষেপের কথা জানায়। অজ্ঞাত কারণে মন্ত্রণালয় থেকে আমদানিকারককে এপ্রিল মাসে ছবিটি মুক্তি না দিতে বলা হয়।
এখন ঈদ ছাড়া ‘চালবাজ’ আর মুক্তি দেয়া সম্ভব নয়। কারণ মে মাসে রমজান থাকায় তখন ছবিটি মুক্তি দেওয়া যাবে না। আসছে ১৩ এপ্রিল কলকাতায় ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে বলে জানা গেছে। যদিও ৬ এপ্রিল ছবিটি ঢাকায় মুক্তি না পাওয়ায় এসকে মুভিজ এখন ১৫ জুন সেখানে ছবিটি মুক্তি দেওয়ার চিন্তা করছে বলে জানা গেছে।
তারপরও নববর্ষে যদি কলকাতায় মুক্তি পায় ঢাকায় মুক্তি পাচ্ছে না শাকিবের ‘চালবাজ’। এতে চরম হতাশ দর্শক আর সিনেমা হল মালিকরা। প্রদর্শক সমিতির কাছে জানতে চাওয়া হয় ‘চালবাজ’ মুক্তি নিয়ে কেন এই টানাপড়েন?
জানা যায়, অভিনেতা আলমগীর তার পরিচালিত ‘একটি সিনেমার গল্প’ ছবিটি মুক্তি ও ব্যবসা সফল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তিনি চাননি এপ্রিল মাসে আর কোনো ছবি মুক্তি পাক। আর এ জন্য তিনি দেশের সর্বোচ্চ স্থান পর্যন্ত দৌড়ঝাঁপ করেছেন। ১৩ এপ্রিল তার ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে।
আলমগীরের ভয় হলো-ওই মাসে অন্য কোনো ছবি মুক্তি পেলে তার ছবিটি ব্যবসা সফল হবে না। কিন্তু তার সঙ্গে লড়তে ‘বিজলী’ আসছে। ববির এ সিনেমাটি নিয়ে ইতিমধ্যে দর্শকরা আগ্রহ প্রকাশ করছে। জানা যায়, ববিকেও হুমকি দেয়া হচ্ছে তাঁর সিনেমা মুক্তি না দেয়ার জন্য। ববি জিডিও করেছে।
ঢাকার এন ইউ ট্রেডার্সের পক্ষে কামাল কিবরিয়া লিপু সরকারের রপ্তানির বিনিময়ে আমদানির অধীনে ছবিটি আনতে যাচ্ছিলেন। জানা যায়, ‘চালবাজ’ ছবিটি আমদানির জন্য ৮ মার্চ তথ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন তিনি।
কিন্তু দীর্ঘ সময় পার করে ২১ মার্চ অতিরিক্ত তথ্য সচিব ছবির আমদানি-রপ্তানি কমিটির সদস্যদের বৈঠকে ডাকেন। ওই দিন বেলা ১১টায় বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও সচিব আসেন বেলা আড়াইটায়। তিনি এসে কোনো সিদ্ধান্ত না দিয়েই তাড়াহুড়া করে বৈঠক শেষ করেন বলে আমদানি-রপ্তানিকারকরা অভিযোগ করেন। ফলে ৬ এপ্রিল ছবিটির মুক্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
কিন্তু তথ্য মন্ত্রী ফের ২৭ মার্চ চালবাজ ছবিটি দ্রুত আমদানির ব্যবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্টকে নির্দেশ দেন। ওই দিন বিকালেই আমদানি-রপ্তানিকারকদের নিয়ে সচিব জরুরি বৈঠক করে ছবিটি আমদানির জন্য পদক্ষেপের কথা জানায়। অজ্ঞাত কারণে মন্ত্রণালয় থেকে আমদানিকারককে এপ্রিল মাসে ছবিটি মুক্তি না দিতে বলা হয়।
এখন ঈদ ছাড়া ‘চালবাজ’ আর মুক্তি দেয়া সম্ভব নয়। কারণ মে মাসে রমজান থাকায় তখন ছবিটি মুক্তি দেওয়া যাবে না। আসছে ১৩ এপ্রিল কলকাতায় ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে বলে জানা গেছে। যদিও ৬ এপ্রিল ছবিটি ঢাকায় মুক্তি না পাওয়ায় এসকে মুভিজ এখন ১৫ জুন সেখানে ছবিটি মুক্তি দেওয়ার চিন্তা করছে বলে জানা গেছে।
তারপরও নববর্ষে যদি কলকাতায় মুক্তি পায় ঢাকায় মুক্তি পাচ্ছে না শাকিবের ‘চালবাজ’। এতে চরম হতাশ দর্শক আর সিনেমা হল মালিকরা। প্রদর্শক সমিতির কাছে জানতে চাওয়া হয় ‘চালবাজ’ মুক্তি নিয়ে কেন এই টানাপড়েন?
জানা যায়, অভিনেতা আলমগীর তার পরিচালিত ‘একটি সিনেমার গল্প’ ছবিটি মুক্তি ও ব্যবসা সফল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তিনি চাননি এপ্রিল মাসে আর কোনো ছবি মুক্তি পাক। আর এ জন্য তিনি দেশের সর্বোচ্চ স্থান পর্যন্ত দৌড়ঝাঁপ করেছেন। ১৩ এপ্রিল তার ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে।
আলমগীরের ভয় হলো-ওই মাসে অন্য কোনো ছবি মুক্তি পেলে তার ছবিটি ব্যবসা সফল হবে না। কিন্তু তার সঙ্গে লড়তে ‘বিজলী’ আসছে। ববির এ সিনেমাটি নিয়ে ইতিমধ্যে দর্শকরা আগ্রহ প্রকাশ করছে। জানা যায়, ববিকেও হুমকি দেয়া হচ্ছে তাঁর সিনেমা মুক্তি না দেয়ার জন্য। ববি জিডিও করেছে।
