অনলাইন ডেস্কঃ আফগান সংঘাত নিরসনে পাকিস্তানের চেষ্টার প্রশংসা করে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গেং শুয়াং বলেছেন, দেশটির এই চেষ্টা আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠার পরিবেশ তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
গত সপ্তাহে প্রথমবারের মতো কাবুল সফরে গিয়ে আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানীর সঙ্গে বৈঠকে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তা অর্জন সম্ভব বলে একমত হয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শহীদ খাকান আব্বাসী।
তিনি আশরাফ ঘানীকে পাকিস্তান সফরেরও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
সম্প্রতি এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গেং শুয়াং বলেন, শহীদ খাকান আব্বাসীর আফগান সফর দুই দেশের সম্পর্কোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। সহযোগিতা ও সংলাপে তাদের আন্তরিকতা এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন ঘটেছে।
তিনি বলেন, দুই দেশ বিভিন্ন বিষয়ে একমত হয়েছে। বিশেষ করে আফগান-পাকিস্তান শান্তি ও সংহতি পরিকল্পনাসহ (এপিএপিপিএস) বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মধ্যে ঐকমত্য দেখা গেছে। এতে আফগান সংকটের মীমাংসার প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে ও আঞ্চলিক যোগাযোগ প্রক্রিয়াও বেড়ে যাবে।
শুয়াং আরও বলেন, বন্ধু ও প্রতিবেশী দেশ হিসেবে পাক-আফগান সম্পর্কোন্নয়ন ও সহযোগিতা বাড়াতে আমরা গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে চাই।
গত সপ্তাহে প্রথমবারের মতো কাবুল সফরে গিয়ে আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানীর সঙ্গে বৈঠকে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তা অর্জন সম্ভব বলে একমত হয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শহীদ খাকান আব্বাসী।
তিনি আশরাফ ঘানীকে পাকিস্তান সফরেরও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
সম্প্রতি এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গেং শুয়াং বলেন, শহীদ খাকান আব্বাসীর আফগান সফর দুই দেশের সম্পর্কোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। সহযোগিতা ও সংলাপে তাদের আন্তরিকতা এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন ঘটেছে।
তিনি বলেন, দুই দেশ বিভিন্ন বিষয়ে একমত হয়েছে। বিশেষ করে আফগান-পাকিস্তান শান্তি ও সংহতি পরিকল্পনাসহ (এপিএপিপিএস) বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মধ্যে ঐকমত্য দেখা গেছে। এতে আফগান সংকটের মীমাংসার প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে ও আঞ্চলিক যোগাযোগ প্রক্রিয়াও বেড়ে যাবে।
শুয়াং আরও বলেন, বন্ধু ও প্রতিবেশী দেশ হিসেবে পাক-আফগান সম্পর্কোন্নয়ন ও সহযোগিতা বাড়াতে আমরা গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে চাই।
