পাইলটকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে নেপাল পাঠানো হয়!



অনলাইন ডেস্কঃ হতভাগা ওই ফ্লাইটের ক্যাপ্টেন আবিদকে জোর করে ডিউটিতে পাঠানো হয়। তিনি ছিলেন মানসিকভাবে বিধ্বস্ত। রবিবার রাতে তিনি ইউএস বাংলার চাকরি থেকে ইস্তফা দেন। ইথোওপিয়া নামের একটি বিদেশী এয়ারলাইন্সে তার চাকরি হয়েছিল গত মাসে। ওই চাকরিতে যোগ দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করার পর থেকেই তার সঙ্গে ইউএস বাংলা কর্তৃপক্ষের টানাপোড়েন দেখা দেয়।

এমনকি তিনি সোমবার নেপালের ফ্লাইট অপারেট করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করার পরও তাকে বাধ্য করা হয়। আইকাও নিয়ম অনুসারে- কোন পাইলটকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ফ্লাই করতে বাধ্য করা যায় না। এটা রীতিমতো সেফটির সঙ্গে আপোস করা। দুনিয়াব্যাপী এই নিয়ম খুব কঠোরভাবে মানা হয় কিন্তু ইউএস বাংলা কেন তাকে এমন করল তাও তদন্তের দাবি রাখে।

এ বিষয়ে অপর এক পাইলট জানান, ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে নেপাল যেতে বাধ্য করায় তিনি স্বভাবতই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। মানসিক চাপ বা অশান্তি নিয়ে পাইলট যখন উড্ডয়ন ও অবতরণ করেন তখন একটা ঝুঁকি থাকে। সূত্র জনকণ্ঠ।

Post a Comment

Previous Post Next Post