অনলাইন ডেস্ক: স্বাধীনতার দ্বারপ্রান্তে এসে অগণিত সূর্যসন্তানকে হারিয়েছিলো বাঙালি। কখনো পূরণ হবার নয় এ শূন্যতা। তাইতো বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে কান্না আর বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতি স্মরণ করছে তাদের।
কাকডাকা ভোর থেকেই শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জড়ো হয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ।
সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে এই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মূল বেদি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন, বিবি, পিএসসি। তিনি (মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন) প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ধানমন্ডি ৩২ এ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতেও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও দলের সিনিয়র নেতারা শ্রদ্ধা জানান।
পরে তিনি সাংবাদিকদের জানান, বুদ্ধিজীবীদের খুনিদের ছাড় দেওয়া হবে না। এরা বাংলাদেশকেই মেরুদণ্ডহীন করে দিতে চেয়েছিলো। যাতে এদেশ শুরু থেকেই একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়, সে জন্য এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিলো।
এছাড়া, শহীদদের পরিবারের সদস্য, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, সাংসদ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, নানা পেশার মানুষ ও শিক্ষার্থীসহ সকলেই এসেছিলেন তাদের হৃদয় নিংড়ানো শ্রদ্ধাটুকু জানাতে। বেলা বাড়ার সঙ্গে শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে।
১৯৭১ সালের এই দিনে দখলদার পাকহানাদার বাহিনী ও তার দোসর রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস মিলিতভাবে বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে।
বুদ্ধিজীবীদের হত্যার ঠিক দুই দিন পর ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বাধীন বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং বিজয়ের মধ্য দিয়ে স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।
কাকডাকা ভোর থেকেই শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জড়ো হয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ।
সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে এই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মূল বেদি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন, বিবি, পিএসসি। তিনি (মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন) প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ধানমন্ডি ৩২ এ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতেও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও দলের সিনিয়র নেতারা শ্রদ্ধা জানান।
পরে তিনি সাংবাদিকদের জানান, বুদ্ধিজীবীদের খুনিদের ছাড় দেওয়া হবে না। এরা বাংলাদেশকেই মেরুদণ্ডহীন করে দিতে চেয়েছিলো। যাতে এদেশ শুরু থেকেই একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়, সে জন্য এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিলো।
এছাড়া, শহীদদের পরিবারের সদস্য, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, সাংসদ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, নানা পেশার মানুষ ও শিক্ষার্থীসহ সকলেই এসেছিলেন তাদের হৃদয় নিংড়ানো শ্রদ্ধাটুকু জানাতে। বেলা বাড়ার সঙ্গে শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে।
১৯৭১ সালের এই দিনে দখলদার পাকহানাদার বাহিনী ও তার দোসর রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস মিলিতভাবে বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে।
বুদ্ধিজীবীদের হত্যার ঠিক দুই দিন পর ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বাধীন বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং বিজয়ের মধ্য দিয়ে স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।
