অনলাইন ডেস্কঃ স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগে হাসপাতালের সামনেই গণপিটুনি স্বামীকে। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতাল চত্বরে।
ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করে পুলিশ। আহত অভিযুক্ত ব্যক্তি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিত্সাধীন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, রায়গঞ্জ থানার বাহিন গ্রাম পঞ্চায়েতের সুভাষগঞ্জ এলাকার মহারাজপুর গ্ৰামের বাসিন্দা সুকুমার মণ্ডলের সঙ্গে ৮ বছর আগে মাড়াইকুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের নেতাজী মোড় এলাকার কসবার শিপ্রার (শর্মা) বিয়ে হয়। অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই শিপ্রার ওপর অত্যাচার চালাতেন তাঁর শ্বাশুড়ি ও স্বামী। শনিবার সকালে অত্যাচারের মাত্রা চরমে ওঠে। অভিযোগ শিপ্রার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে স্বামী ও শ্বাশুড়ি তাঁকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করেন।
খবর পেয়ে শিপ্রার বাড়ির লোকজন দ্রুত গিয়ে মেয়েকে রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সঙ্গে ছিলেন স্বামী সুকুমারও। তিনিও জখম হন।
শিপ্রাকে ভর্তির পরই সুকুমারকে হাতের সামনে পেয়ে তাঁকে বেধড়ক মারধর করেন শিপ্রার বাড়ির লোকজন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। আহত অবস্থায় সুকুমারকে আটক করে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
পুলিশ সুপার শ্যাম সিং জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে সুকুমারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক জানান, সুকুমার মণ্ডলের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে রেফার করা হয়েছে।
