নিউজ ডেস্কঃ
নেত্রকোনার মদনে মসজিদে অনুদানের টাকাকে কেন্দ্র করে গ্রামের দুই পক্ষের
সংঘর্ষে ৬০ বছরের কাছুম আলী নামের একজন নিহত হয়েছেন। আজ মদন উপজেলার
ফতেপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এসময় উভয় পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন। আহত আইন উদ্দিন (৪০), শাহিন (১৮) ও আশরাফুল আলীকে (২০) মদন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মদন উপজেলার ফতেপুর মসজিদে স্থানীয় চেয়ারম্যান এক লাখ টাকা অনুদান দেন। এ নিয়ে এলাকার রেনু মিয়া ও কাছুম আলীদের মাঝে দুটি পক্ষের সৃষ্টি হয়। কাছুম আলীর পক্ষ টাকার হদিস জানতে চাইলে রেনু মিয়া অস্বীকার করেন। এ নিয়ে কোন্দল চরম আকার ধারণ করলে আজ বিকালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষে কাছুম আলীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হয়। গুরুতর অবস্থায় কাছুম আলীকে মদন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহত আরো তিন জনকে মদনে চিকিৎসা দেয়া হয়। অন্যদিকে রেনু মিয়ার গ্রুপের আহতদের মদন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাওয়া যায় নি।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আমি মসজিদে কোন অনুদানের টাকাই দেই নি। আমি মোবাইলে সংঘর্ষের খবর পেয়েছি। এটি পূর্ব শত্রুতার জের। রেনু মিয়া এবং কাছুম আলীর সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে অসছিল। বিরোধের জেরে গতকাল সকালেও সংঘর্ষ বাধে।
এসময় উভয় পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন। আহত আইন উদ্দিন (৪০), শাহিন (১৮) ও আশরাফুল আলীকে (২০) মদন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মদন উপজেলার ফতেপুর মসজিদে স্থানীয় চেয়ারম্যান এক লাখ টাকা অনুদান দেন। এ নিয়ে এলাকার রেনু মিয়া ও কাছুম আলীদের মাঝে দুটি পক্ষের সৃষ্টি হয়। কাছুম আলীর পক্ষ টাকার হদিস জানতে চাইলে রেনু মিয়া অস্বীকার করেন। এ নিয়ে কোন্দল চরম আকার ধারণ করলে আজ বিকালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষে কাছুম আলীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হয়। গুরুতর অবস্থায় কাছুম আলীকে মদন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহত আরো তিন জনকে মদনে চিকিৎসা দেয়া হয়। অন্যদিকে রেনু মিয়ার গ্রুপের আহতদের মদন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাওয়া যায় নি।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আমি মসজিদে কোন অনুদানের টাকাই দেই নি। আমি মোবাইলে সংঘর্ষের খবর পেয়েছি। এটি পূর্ব শত্রুতার জের। রেনু মিয়া এবং কাছুম আলীর সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে অসছিল। বিরোধের জেরে গতকাল সকালেও সংঘর্ষ বাধে।
এ
ব্যাপারে মদন থানার ওসি শওকত আলী জানান, উন্নয়ন কাজের জন্য মসজিদে ৫০
হাজার টাকার অনুদান দিয়েছিলেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান। এ নিয়ে দ্বন্দ্বের
জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
