জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যায় হাকালুকি হাওর তীরের শিক্ষার্থীরা।


স্টাফ রিপোর্টারঃ এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকি তীরের কুলাউড়া, জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলায় শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গত ২০ দিন থেকে বন্ধ রয়েছে। কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান শুরু হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকাযোগে বিদ্যালয়ে যায়। সরেজমিনে হাকালুকি হাওর তীরের বেলাগাঁও গ্রামে গেলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকা যোগে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যেতে দেখা যায়। বেলাগাঁও এবং পশ্চিম বেলাগাঁও গ্রামের শতাধিক শিক্ষার্থী জুড়ী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ও মক্তদির বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যায়। কুলাউড়া উপজেলা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা যায়, কুলাউড়া উপজেলার ৪৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১০ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গত ১ জুলাই থেকে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির খানিকটা উন্নতি হলেও এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনও পানিবন্দি। বড়লেখা উপজেলায় ৭০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর ২২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্যার কারণে বন্ধ হয়ে যায়। বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় বর্তমানে ২২ টি শিক্ষা প্রতিষ্টান খোলা হয়েছে।বর্তমানে ৭০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান শুরু হয়েছে। উপজেরা হাকালুকি উচ্চ বিদ্যালয়ে ০৬ জুলাইর পরিবর্তে ১১ জুলাই অর্ধবার্ষিকী   পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও  ১১ জুলাই রাতে বৃষ্টিপাত হলে পরদিন আর পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। জুড়ী উপজেলার ২০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যা কবলিত হয়। এরমধ্যে ৫টি বিদ্যালয় থেকে বন্যার পানি নেমেছে। এছাড়া ৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্যা কবলিত ছিলো। এরমধ্যে ৫টি থেকে বন্যার পানি নেমেছে। সেগুলোতে চলছে পাঠদান। বন্যার পানি কমার পর যেসব বিদ্যালয়ে পাঠদান শুরু হয়েছে, সেগুলোতে উপস্থিতি একেবারে কম। বন্যায় পানিবন্দি এলাকার শিক্ষার্থীরা।

Post a Comment

Previous Post Next Post