স্পোর্টস ডেস্কঃ হারলেই
বিদায়, এমন এক সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে লড়তে নেমেছিল
বাংলাদেশ। টস জিতে নিয়েছিল ব্যাটিং, কিন্তু একা তামিম ইকবাল ছাড়া আর কেউই
দাঁড়াতে পারেন নি। তামিমের দুর্দান্ত ৯৫ রানের ইনিংস সত্ত্বেও বাংলাদেশ
অলআউট হয় ১৮২ রানে।
তামিম
১১৪ বলের ইনিংসে হাঁকিয়েছেন ৬টি চার ও তিনটি ছক্কা। এনিয়ে তিনবার ৯৫ রানে
ফিরলেন তামিম। ২০১০ সালে চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম নার্ভাস
নাইনটিজের শিকার হন তিনি। ২০১৫ সালে বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ফিরেন
সেই ৯৫ রানে।
১৮৩
রানের সহজ লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামা অস্ট্রেলিয়া শুরুও করেছিল দুর্দান্ত।
কিন্তু ১৬ ওভার শেষে ১ উইকেটে ৮৩ রানে যাওয়ার পর নামল বৃষ্টি। আর তাতেই
ভেসে গেল ম্যাচ। কেউ জেতেনি ম্যাচে। বৃষ্টির বদান্যতায় বাংলাদেশের ঝুলিতে
আসল পয়েন্ট।
অথচ
কোনোমতে ২০ ওভার খেলা হলেই জিতে যেত অস্ট্রেলিয়া। ১ উইকেট পড়ায় ২০ ওভারে
তাদের দরকার ছিল মাত্র ৪৮ রানের। মাত্র ৪ ওভারের আক্ষেপ আর পয়েন্ট হারানোর
বেদনা নিয়ে তাদেরকে ছাড়তে হয় ওভাল।
অস্ট্রেলিয়ার
পক্ষে ওয়ার্নার ছিলেন ৪০ রানে অপরাজিত। ফিঞ্ছ আউট হয়েছেন ১৯ রানে, আর অপর
অপরাজিত ব্যাটসম্যান স্মিথ ছিলেন ২২ রানে। বাংলাদেশের পক্ষে একমাত্র
উইকেটটি নিয়েছেন রুবেল হোসেন।
চ্যাম্পিয়ন্স
ট্রফিতে বাংলাদেশ তিন শতাধিক রান করেও প্রথম ম্যাচে হেরেছিল স্বাগতিক
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে, অপরদিকে অস্ট্রেলিয়া নিউ জিল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচে
বৃষ্টির কারণে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছিল দুই দল।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ:
৪৪.৩ ওভারে ১৮২ (তামিম ৯৫, সৌম্য ৩, ইমরুল ৬, মুশফিক ৯, সাকিব ২৯, সাব্বির
৮, মাহমুদউল্লাহ ৮, মিরাজ ১৪, মাশরাফি ০, রুবেল ০, মুস্তাফিজ ১*; স্টার্ক
৪/২৯, হেইজেলউড ১/৪০, কামিন্স ১/২২, হেড /৩৩, হেনরিকেস ১/৩০, জ্যাম্পা
২/১৩, ম্যাক্সওয়েল ০/৯)
