স্পোর্টস ডেস্কঃ
মেসির জ্বলে ওঠার দিনে প্রতিপক্ষ শিবিরের যে কিছুই করার থাকে তা আবারও
দেখল ফুটবল বিশ্ব। নিজে গোল করলেন ও করালেন। আর তাতেই কোপা দেল রের ফাইনালে
দেপোর্তিভো আলাভেসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে টানা তৃতীয় শিরোপা জিতল বার্সেলোনা।
অ্যাটলেটিকো
মাদ্রিদের মাঠ ভিসেন্তে ক্যালদেরনে ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ
নিয়ে আক্রমণ করে খেলতে থাকে বার্সা। তবে শুরুতেই বড় এক ধাক্কা খায় দলটি।
ম্যাচের ১১ মিনিটেই ইনজুরিতে মাঠ ছাড়েন হাভিয়ের মাসচেরানো।
ম্যাচের
২৭ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে পিছিয়ে পড়তে বসেছিল বার্সা। তবে স্প্যানিশ
ফরোয়ার্ড ইবাই গোমেজের নিচু শট পোস্টে লাগলে বেঁচে যায় কাতালান ক্লাবটি।
তিন মিনিট পর দলকে এগিয়ে দেন মেসি। নেইমারের সঙ্গে বল দেওয়া নেওয়া করে
ডি-বক্সের বাইরে থেকে বাঁকানো শটে বল জালে জড়ান পাঁচবারের বর্ষসেরা
ফুটবলার।
তবে
লিড খুব বেশি সময় ধরে রাখতে পারেনি বার্সা। ম্যাচের ৩৩ মিনিটে ২৫ গজ দূর
থেকে অসাধারণ এক গোলে আলাভেজকে সমতায় ফেরান হার্নান্দেজ। বিরতির আগে তিন
মিনিট ব্যবধানে আরও দুই গোল করে জয় অনেকটা নিশ্চিত করে ফেলে বার্সা।
ম্যাচের
৪৫ মিনিটে আন্দ্রে গোমেজের উদ্দেশ্যে বল বাড়ান মেসি। বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে
নেইমারের উদ্দেশ্যে আড়াআড়ি বল বাড়ান পর্তুগিজ তারকা। আর তা থেকে অনায়াসে বল
জালে জড়ান নেইমার। এই নিয়ে কোপা দেল রেতে টানা তিন ফাইনালে গোল করলেন
ব্রাজিলের এই তারকা ফরোয়ার্ড।
প্রথমার্ধের
অতিরিক্ত সময়ের তৃতীয় মিনিটে ব্যবধান ৩-১ করেন আলকাসের। বাঁ-দিক থেকে
দুজনকে ফাঁকি দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে আরও একজনকে কাটিয়ে সামনে ফাঁকায় দাঁড়ানো
আলকাসেরকে পাস দেন মেসি। আর তা থেকে সহজেই গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন স্পেনের
এই ফরোয়ার্ড।
দ্বিতীয়ার্ধে
মেসি-নেইমারদের কয়েকটি প্রচেষ্টা আলাভেজ গোলরক্ষক ফিরিয়ে দিলে ব্যবধান আর
বাড়াতে পারেনি বার্সা। আর পাল্টা কয়েকটি আক্রমণেও আর গোলের দেখা পায়নি
আলাভেজ। ফলে মৌসুমে একমাত্র শিরোপার স্বাদ নিয়ে মাঠ ছাড়ে মেসি-নেইমাররা।
এদিকে
২০১৪ সালে বার্সার দায়িত্ব নেওয়া এনরিকে শিরোপা দিয়েই বিদায় নিলেন। প্রথম
মৌসুমে বার্সেলোনাকে ‘ট্রেবল’ জেতানোর পরের মৌসুমে ঘরোয়া ফুটবলের ডাবল
জেতান। সব মিলিয়ে নয়টি শিরোপা জিতে বার্সেলোনাকে বিদায় জানালেন স্পেনের এই
কোচ।
