অনলাইন ডেস্কঃ মেয়রের চেয়ারে বসার ৩ ঘন্টার মধ্যেই আবার সাময়িক বহিষ্কার করা হলো সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে।
রোববার
(২ এপ্রিল) বেলা ১১টায় নগর ভবনে গিয়ে মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ করেন আরিফ। আর
দুপুর ২টায় তাঁকে সাময়িক বহিষ্কারের আদেশ সম্বলিত স্থানীয় সরকার
মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠি সিলেট সিটি কর্পোরেশনে এসে পৌঁছায়।
আরিফুল হকের আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম মোহাম্মদ কাফি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী এনামুল হাবিব জানান, দুপুর ২টায় মন্ত্রণালয় থেকে বহিষ্কারাদেশের চিঠি নগর ভবনে এসে পৌঁছেছে।
জানা
যায়, সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের সমাবেশে বোমা হামলার মামলায়
চার্জশিটভুক্ত আসামি হওয়ায় তাঁকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।
সাবেক
অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার সম্পূরক অভিযোগপত্রে নাম আসার
পর ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়
মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ এক আদেশে সিসিক মেয়র আরিফকে সাময়িকভাবে
বরখাস্ত করে।
এই
আদেশের বিরুদ্ধে মেয়র আরিফ রিট পিটিশন দায়ের করলে শুনানি শেষে সাময়িক
বরখাস্তের আদেশ গত ১২ মার্চ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট।
২০০৫
সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যের বাজারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত
জনসভায় দুর্বৃত্তদের গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস
কিবরিয়া। ওই হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১০ বছর পর তৃতীয় সম্পূরক চার্জশিটে
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিসিক মেয়র আরিফুর হক চৌধুরীকে
আসামি করা হয়।
২০১৪
সালের ২১ ডিসেম্বর কিবরিয়া হত্যা মামলার চার্জশিট আদালতে গৃহীত হলে ২৮
ডিসেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। আদালত মেয়র আরিফুলের জামিন নামঞ্জুর
করে তাঁকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় ২০০৪
সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় বোমা হামলার ঘটনার
দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর পর মেয়র আরিফকে শ্যোন এরেস্ট দেখানো হয়।
দীর্ঘ কারাভোগের পর ২০১৭ সালের ৪ জানুয়ারি সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান আরিফুল হক চৌধুরী। সুত্রঃ সিলেটটুডে
