একযুগের বেশি সময়েও হয়নি কৌলা চৌধুরীবাজার রাস্তার সংস্কার


আশরাফুল ইসলাম জুয়েল: ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত আর খানা খন্দে ভরা, কোথাও পিচ উঠে পাথর বেরিয়ে এসেছে, কোথাও আবার দেখা দিয়েছে বড় গর্তের তাই ভ্যান, অটোরিকশা, সিএনজিসহ যানবহনে যাত্রীদের প্রচণ্ড ঝাকুনির মধ্যেই চলাচল করতে হচ্ছে। বলছিলাম মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের চৌধুরীবাজার থেকে কৌলা-গ্রামের সড়কের কথা। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ১৪ বছর ধরে সড়কটি ভাঙাচোরা অবস্থায় থাকলেও তা সংস্কারে সংশ্লিষ্টদের কোনো উদ্যোগ নেই। চরম দুরবস্হায় চৌধুরীবাজার থেকে কৌলাগ্রামী রাস্তাটি, প্রায় ১৪ বছর পূ্র্বে রাস্তাটি পাকাকরন করা হলে ও আজ অবদি একবারে ও দৃশ্যমান কোন সংস্কার কাজ হয়নি। প্রতিদিন স্কুল কলেজ মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীদের ভোগান্তি বেশি হচ্ছে। অবিলম্বে এ সড়কটি সংস্কারের দাবি ভুক্তভোগীদের। দিন মাস বছর যায় জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাস আর আশ্বাসই থেকে যায়। স্হানীয় রাউৎগ্রাও ইউপি সদস্য ইসমাইল হোসেন জানান সাবেক এমপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর এর আমলে রাস্তাটি পাকাকরণ করা হয়েছিল। স্হানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, কৌলা গ্রামে অনেক বড় বড় নেতা থাকার পর ওনাদের দৃষ্টি যেন এড়িয়ে চলছেন। এলাকার প্রতি যেন তাদের কোন দায়িত্ববোধ নেই? তারা শুধু সভা সমাবেশ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে এটা আমাদের দুর্ভোগের বিষয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় কুলাউড়া রবিবাজারের ব্যস্ততম এই রাস্তা যখন বন্ধ হয়ে যায়, তখন এই রাস্তা দিয়ে হালকা ভারি সব ধরনের যানবাহনের যাতয়াতের ফলে কৌলা চৌধুরীবাজার রাস্তাটির বেহালদশা হয়। আড়াই কিলোমিটারের রাস্তায় বেশি যানবাহনের কারনে এই এমন অবস্থার সৃষ্টি হয় এবং রাস্তার ব্রিজ-কালভাট ব্যবহারে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বর্ষা মৌসুমে এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে রাস্তাটি পানির নিচে তলিয়ে যায়। কৌলা গ্রামের স্হানীয় বাসিন্ধারা জানান, রাস্তা ভাঙ্গা থাকায় বয়স্ক ব্যক্তি, নারী, শিশু ও রোগীদের পথ চলতে সমস্যা হয়। বিশেষ করে রাতের বেলা প্রায়ই গর্তে পড়ে সিএনজি, অটোরিক্সা উল্টে পড়ারও ঘটনা ঘটে থাকে। অনেক সময় পথচারীরা হাটতে গিয়ে অসাবধানবশত গর্তে পড়ে আহতও হচ্ছে। তাই এলাকাবাসীর দাবী স্হানীয় সংসদ সদস্য ও সংশিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ অতিবিলম্বে রাস্তাটির সংস্কারের জন্য সু-নজড় দিবেন।

Post a Comment

Previous Post Next Post