অনলাইন ডেস্কঃ ভূমিকম্পে দুর্গতদের উদ্ধার ও অগ্নিকাণ্ড নির্বাপণ বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সে। আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর বসুন্ধরা সিটির শপিং কমপ্লেক্সে ‘আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রমোশন দিবস ২০১৭’ উপলক্ষে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।
মহড়াটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর ও বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হয়।
মহড়াতে দেখানো হয়, হঠাৎ করে ভূমিকম্পের কারণে শপিং কমপ্লেক্সের ভিতরে থাকা ক্রেতা-বিক্রেতারা এদিক ওদিক ছোটাছুটি করতে শুরে করেছেন। প্রাথমিক পর্যায়ে বসুন্ধর শপিং কমপ্লেক্সের অগ্নি নির্বাপণ কর্মীরা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের বের করে নিয়ে আসেন। ভূমিকম্পের ফলে কমপ্লেক্সের কিছু কিছু জায়গায় আগুনের সূত্রপাত ঘটে, সেগুলোকেও বসুন্ধরার অগ্নি নির্বাপক কর্মীরা প্রাথমিক পর্যায়ে নেভানোর চেষ্টা করেন।
এরই মধ্যে নিকটস্থ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশনে ঘটনার খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের বেশ কয়েকটি ইউনিট শপিংমলে হাজির হয়। পরে তারা বিভিন্ন আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে লোকজনকে উদ্ধার করে এবং আগুন নেভায়। মহড়াটি প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে।
মহড়ায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, বসুন্ধরার নিজস্ব অগ্নি নির্বাপণ কর্মী রাখা একটি ভালো উদ্যোগ।
এজন্য তাদের আমি ধন্যবাদ জানাই। এভাবে যদি আমরা দুর্যোগ মোকাবেলায় সচেতন হই তাহলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক কমে আসবে।
মন্ত্রী বলেন, আমি দোকান মালিক ভাইদের বলতে চাই আপনাদের আরও সচেতন হতে হবে। না হলে আপনাদের একটু ভুলের জন্য কোটি কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের প্রশংসা করে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী বলেন, এরা একেকজন বাঘের বাচ্চা। নিজের জীবন বাজি রেখে মানুষের প্রাণ বাঁচান তারা।
মহড়াটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর ও বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হয়।
মহড়াতে দেখানো হয়, হঠাৎ করে ভূমিকম্পের কারণে শপিং কমপ্লেক্সের ভিতরে থাকা ক্রেতা-বিক্রেতারা এদিক ওদিক ছোটাছুটি করতে শুরে করেছেন। প্রাথমিক পর্যায়ে বসুন্ধর শপিং কমপ্লেক্সের অগ্নি নির্বাপণ কর্মীরা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের বের করে নিয়ে আসেন। ভূমিকম্পের ফলে কমপ্লেক্সের কিছু কিছু জায়গায় আগুনের সূত্রপাত ঘটে, সেগুলোকেও বসুন্ধরার অগ্নি নির্বাপক কর্মীরা প্রাথমিক পর্যায়ে নেভানোর চেষ্টা করেন।
এরই মধ্যে নিকটস্থ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশনে ঘটনার খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের বেশ কয়েকটি ইউনিট শপিংমলে হাজির হয়। পরে তারা বিভিন্ন আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে লোকজনকে উদ্ধার করে এবং আগুন নেভায়। মহড়াটি প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে।
মহড়ায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, বসুন্ধরার নিজস্ব অগ্নি নির্বাপণ কর্মী রাখা একটি ভালো উদ্যোগ।
এজন্য তাদের আমি ধন্যবাদ জানাই। এভাবে যদি আমরা দুর্যোগ মোকাবেলায় সচেতন হই তাহলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক কমে আসবে।
মন্ত্রী বলেন, আমি দোকান মালিক ভাইদের বলতে চাই আপনাদের আরও সচেতন হতে হবে। না হলে আপনাদের একটু ভুলের জন্য কোটি কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের প্রশংসা করে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী বলেন, এরা একেকজন বাঘের বাচ্চা। নিজের জীবন বাজি রেখে মানুষের প্রাণ বাঁচান তারা।
