স্পোর্টস ডেস্কঃ
পাকিস্তান সুপার লিগে কুয়েটা গ্লাডিয়েটর্সের ১২৮ রানের লক্ষ্য সহজেই
পেরিয়ে যাবে ভেবেছিলেন পেশোয়ার জালমির অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি। কিন্তু পথের
কাঁটা হয়ে দাঁড়ালেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। কুয়েটার ৩৮ রান তোলার প্রথম ব্রেক
থ্রু এনে দেন এই বাংলাদেশি অলরাউন্ডার। ৭ রানে ফিরিয়ে দেন তামিম ইকবালকে।
আরেক বাংলাদেশি অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানও ব্যর্থ। ব্যক্তিগত এক রানে রান
আউটে কাটা পড়েন তিনি। এরপরও পেশোয়ারে তারকার অভাব ছিল না। দলীয় ৫২ রানে
টানা দুই বলে শোয়েব মাকসুদ ও ড্যারেন স্যামির উইকেট তুলে হ্যাটট্রিকের
সম্ভাবনাও জাগিয়ে তোলেন মাহমুদুল্লাহ। পরের বলে ক্যাচও উঠেছিল, তবে একটুর
জন্য হাতে পড়েনি।
যাই
হোক হ্যাটট্রিক না হলেও পেশোয়ারের মিডল অর্ডারে বড় ধস নামান টাইগার এই
অলরাউন্ডার। তবে তখনও পেশোয়ারের আশাটাও শেষ হয়ে যায়নি। কারণ তখনও যে ক্রিজে
ছিলেন দুই তারকা ব্যাটসম্যান শহীদ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ হাফিজ। তারা দু'জন
যখন দলকে টেনে নিচ্ছিলেন, তখন হাফিজকে ফিরিয়ে দিয়ে কুয়েটা শিবিরে স্বস্তি
ফিরিয়ে আনেন ইংলিশ পেসার টাইমল মিলস। পরে শেষ স্বীকৃতি ব্যাটসম্যান ওয়াহাব
রিয়াজাকে ফিরিয়ে দেন তিনি। তবে ১৮তম ওভারে যে আশা নিয়ে ড্যারেন স্যামি বল
তুলে দিয়েছিলেন মিলসের হাতে, তার প্রথমটা ভালো হলেও শেষ হয় টানা দুই চারে।
ফলে জয়ের জন্য শেষ ওভারে পেশোয়ারের দরকার ছিল ৭ রান। স্ট্রাইকে তখন শহীদ
আফ্রিদি।
এরপর
বড় আশা নিয়ে মাহমুদুল্লাহ হাতে বল তুলে দেন ড্যারেন স্যামি। এমন টান টান
উত্তেজনা মুহূর্তে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে জয় এনে দেওয়ার নজির আছে
মাহমুদুল্লাহর। কিন্তু এদিন অবিশ্বাস্য কিছু করে দেখাতে পারলেন না
বাংলাদেশি এই অলরাউন্ডার, আর তার প্রথম দুই বলেই আফ্রিদির দুই চারে ম্যাচটি
পকেটে ভরে নিল পেশোয়ার। একই সঙ্গে কুয়েটাকে টপকে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে
উঠে এল সাকিব-তামিমের দল।
